র‍্যাম (RAM) হলো র‍্যান্ডম অ্যাক্সেস মেমোরি, যা কম্পিউটারের একটি অস্থায়ী ডেটা সংরক্ষণের স্থান এবং সিস্টেমের কার্যকারিতা ও গতি নির্ধারণ করে। র‍্যামে ডেটা সংরক্ষিত থাকে শুধুমাত্র কম্পিউটার চালু থাকা অবস্থায়; বিদ্যুৎ চলে গেলে ডেটা মুছে যায়। র‍্যাম বেশি হলে কম্পিউটার বা ফোন দ্রুত কাজ করে।
 
 
র‍্যামের কাজ ও বৈশিষ্ট্য
  • অস্থায়ী মেমোরি:
    র‍্যাম একটি স্বল্পস্থায়ী মেমোরি বা অস্থায়ী মেমোরি। 
     
  • ডেটা অ্যাক্সেস:
    র‍্যাম থেকে যেকোনো ডেটা যেকোনো ক্রমে (র‍্যান্ডমলি) অ্যাক্সেস করা যায়, যা একে দ্রুততর করে তোলে। 
     
  • কম্পিউটারের গতি:
    র‍্যাম যত বেশি থাকে, কম্পিউটার বা ফোন তত দ্রুত কাজ করে, কারণ এতে অ্যাপ্লিকেশন ও অপারেটিং সিস্টেমের ডেটা দ্রুত লোড করা যায়। 
     
  • স্থায়ী স্টোরেজের ভিন্নতা:
    র‍্যামের ডেটা কম্পিউটার বন্ধ করলে বা বিদ্যুৎ চলে গেলে মুছে যায়, যা হার্ড ড্রাইভ বা SSD-এর মতো স্থায়ী স্টোরেজ থেকে আলাদা, যেখানে ডেটা স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত থাকে। 
     
র‍্যামের প্রকারভেদ 
 
  • DDR3 ও DDR4/DDR5:
    র‍্যাম বিভিন্ন প্রযুক্তির হয়ে থাকে, যেমন DDR3, DDR4, DDR5 ইত্যাদি। নতুন প্রযুক্তিগুলো সাধারণত আগেরগুলোর চেয়ে দ্রুততর হয়।
  • ক্যাপাসিটি:
    র‍্যামের ক্যাপাসিটি (যেমন: 8GB, 16GB) ডেটা সংরক্ষণের পরিমাণ নির্দেশ করে।
র‍্যাম কেন গুরুত্বপূর্ণ
  • আপনি যখন কোনো অ্যাপ্লিকেশন চালান, তখন সেই অ্যাপ্লিকেশনের ডেটা র‍্যামে লোড হয়। এর ফলে প্রোগ্রাম দ্রুত কাজ করতে পারে। 
     
  • মাল্টিটাস্কিং, গেমিং, বা ভিডিও এডিটিং-এর মতো ভারী কাজের জন্য বেশি র‍্যাম প্রয়োজন হয়, কারণ এতে একাধিক অ্যাপ্লিকেশন একসাথে দ্রুত চলতে পারে। 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *